অন্যান্য তুলার তুলনায় শিমুল তুলার কি কি বৈশিষ্ট্য রয়েছে?
শিমুল তুলা অন্যান্য সাধারণ তুলা (যেমন কটন তুলা বা সিনথেটিক ফাইবার) থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের কারণে আলাদা। নিচে তুলনামূলকভাবে প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো দেওয়া হলো:১. অত্যন্ত হালকা (Ultra Light)শিমুল তুলা খুবই হালকা। একই সাইজের বালিশে কটন তুলার তুলনায় অনেক কম ওজন লাগে।এ কারণে বালিশ মাথায় চাপ সৃষ্টি করে না এবং আরামদায়ক লাগে।২. বেশি ফ্লাফি ও নরমশিমুল তুলা স্বাভাবিকভাবে ফ্লাফি (ফুলে থাকা) প্রকৃতির।তাই বালিশ সহজে চেপ্টা হয়ে যায় না এবং মাথা রাখলে নরম অনুভূতি দেয়।৩. বায়ু চলাচল বেশি (Breathability)শিমুল তুলার ফাইবারের মধ্যে অনেক ফাঁকা জায়গা থাকে।ফলে বালিশের ভিতরে বাতাস সহজে চলাচল করে এবং গরম কম লাগে।৪. আর্দ্রতা কম ধরেকটন তুলা সহজে ঘাম বা আর্দ্রতা ধরে রাখে।কিন্তু শিমুল তুলা তুলনামূলকভাবে আর্দ্রতা কম ধরে, ফলে বালিশ শুকনো থাকে।৫. তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভালোগরম আবহাওয়ায় মাথা ঠান্ডা রাখে এবং শীতেও খুব ঠান্ডা লাগে না।এ কারণে এটি উষ্ণ অঞ্চলে (যেমন Bangladesh) ব্যবহারের জন্য উপযোগী।৬. প্রাকৃতিক ও পরিবেশবান্ধবশিমুল গাছ থেকে সরাসরি পাওয়া যায়। এতে কৃত্রিম ফাইবার বা প্লাস্টিকজাত উপাদান নেই।তাই এটি সম্পূর্ণ বায়োডিগ্রেডেবল ও পরিবেশবান্ধব।৭. স্থিতিস্থাপকতা (Resilience)চাপ পড়লে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসার ক্ষমতা আছে।এ কারণে বালিশ দীর্ঘদিন ব্যবহার করলেও দ্রুত শক্ত বা শক্তপোক্ত হয়ে যায় না।✅ সংক্ষেপে তুলনা:বৈশিষ্ট্যশিমুল তুলাসাধারণ কটন তুলাওজনখুব হালকাতুলনামূলক ভারীবাতাস চলাচলবেশিকমআর্দ্রতা ধরে রাখাকমবেশিনরমভাববেশি ফ্লাফিমাঝারিগরম লাগাকমবেশি